সনদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সনদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

Cv Templates 300+ file any customise Microsoft

Cv Templates 300+ file any customise Microsoft

  CV Templates paid File 



এক কিক্ল  হিসাব যে ভাবে করবেন তা ভিডিও মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে ।                           Price-$ 0.50 (BD-50৳)

   
Buy now
            
Dawnload



requently Asked Questions for CV Templates

What is the difference between a CV and a resume?

A curriculum vitae is a document that outlines the whole course of your career and doesn’t have length restrictions. It’s used when applying for Academic or Federal positions. In contrast, a resume is a one or two page summary of your skills and professional accomplishments. However, the term “CV” has become synonymous with “resume”, and for the majority of people, they are one and the same thing.

Which template is best for CV?

The best CV template in 2023 has a clean and modern feel. In its classic form, CVs must include projects, authored publications, references, and additional achievements. They typically expand to several pages in length. All of that is supported by our CV builder, and any of our templates can be accustomed to a professional CV.

How should a CV look in 2024?

A CV template must contain the following sections: - Personal information & contact details (in some countries, birthdate and mugshots are also required); - CV personal statement (equivalent to a resume summary); - Professional Experience (for academic and federal CVs, those can expand to a dozen or more bullet points); - Education section (Including honors, GPA, and all titles you’ve gained); - List of your key skills; - Publications, certifications and projects;

How far back should a CV go?

Academic and federal CVs typically span across your whole career, so there’s no limit to that. When a CV is used as a resume, the one or two page-long rule applies.

Should I use a CV example instead?

Having a CV example from your professional niche as a base to build your own is always handy. We’ve compiled an extensive list of over 1000+ professional CVs for any job. They include a pre-made template using the actual words and phrases recruiters look for, and a thorough writing guide. All professionally vetted, so you don’t have to worry about your next application
Tag, cv.CB in customise customise CV.,professional CV, job CV, company CV, Bangladesh Army, Barish nabhi se bhi cv,garments CV, School job cv, Bikaner se bhi 


মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আজীবন দাতা সদস্য সনদ ( AI Vector ) ডিজাইন Lifetime Member Certificate Design

আজীবন দাতা সদস্য সনদ ( AI Vector ) ডিজাইন Lifetime Member Certificate Design

 আজীবন দাতা সদস্য সনদ একটি বিশেষ স্বীকৃতি যা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দানশীল ব্যক্তিদের প্রদান করে। এটি দানকারীদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং তাদের সহায়তার স্বীকৃতি জানায়।



আজীবন দাতা সদস্য সনদ কি?

আজীবন দাতা সদস্য সনদ একটি সনদপত্র যা প্রতিষ্ঠানের একজন দানশীল ব্যক্তিকে প্রদান করে। এটি দানকারীকে প্রতিষ্ঠানের আজীবন সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে।

আজীবন দাতা সদস্য সনদের সুবিধা

  • সম্মাননা: আজীবন দাতা সদস্য সনদ দানকারীদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
  • বিশেষ সুবিধা: প্রতিষ্ঠান অনুসারে, আজীবন সদস্যরা বিভিন্ন বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারেন। এর মধ্যে থাকতে পারে:
    • প্রতিষ্ঠানের আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ
    • প্রতিষ্ঠানের প্রকাশনা ও সেবার ছাড়
    • প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের সুযোগ
    • বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক সুযোগ

আজীবন দাতা সদস্য সনদ পাওয়ার টিপস

  • প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-কানুন জানুন: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসারে কত টাকা দান করলে আজীবন সদস্য সনদ পাওয়া যাবে তা জেনে নিন।
  • দানের বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে জানুন: প্রতিষ্ঠান নগদ অর্থ, সম্পত্তি, শেয়ার, ইত্যাদি বিভিন্ন উপায়ে দান গ্রহণ করে কিনা তা জেনে নিন।
  • প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করুন: প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে আজীবন সদস্য সনদ সম্পর্কে আরও তথ্য জানুন।

উপসংহার

আজীবন দাতা সদস্য সনদ দানশীল ব্যক্তিদের প্রতি প্রতিষ্ঠানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি মাধ্যম। এটি দানকারীদের বিভিন্ন সুবিধাও প্রদান করে। আপনি যদি কোন প্রতিষ্ঠানে দান করতে আগ্রহী হন, তাহলে আজীবন দাতা সদস্য সনদের সুবিধা সম্পর্কে জেনে নিন।

শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

মৃত্যু সনদপত্র নমুনা

মৃত্যু সনদপত্র নমুনা

 মৃত্যুর পরেও কাগজপত্রের ঝামেলা! শোনা মাত্রই মনে হয়তো একটু বিষণ্ণ লাগছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের মৃত্যুর পরেও কিছু আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয়। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো মৃত্যু সনদপত্র সংগ্রহ করা। কিন্তু কী এই মৃত্যু সনদপত্র? কেন এটি প্রয়োজন? কোথায় থেকে এবং কীভাবে এটি পাওয়া যায়? চলুন, আজকের আর্টিকেলে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করি।

মৃত্যু সনদপত্র - ইংরেজি



মৃত্যু সনদপত্র - বাংলা 

কী এই মৃত্যু সনদপত্র?

মৃত্যু সনদপত্র হলো সরকার কর্তৃক প্রদত্ত একটি আনুষ্ঠানিক দলিল, যেখানে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখ, সময়, স্থান ও কারণ উল্লেখ থাকে। এটি মূলত একটি আইনগত নথি, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে লাগে।

কেন প্রয়োজন মৃত্যু সনদপত্র?

মৃত্যু সনদপত্র নানা কাজে প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ হলো:

  • মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি হস্তান্তর: ব্যাংক হিসাব বন্ধ করা, জমি রেজিস্ট্রেশন করা, বীমা পাওয়ার জন্য মৃত্যু সনদপত্র প্রয়োজন হয়।
  • পেনশন বা অন্যান্য সামাজিক সুবিধা বন্ধ করা: মৃত্যুর পরে পেনশন বা অন্যান্য সামাজিক সুবিধা বন্ধ করার জন্য সনদপত্রটি জমা দিতে হয়।
  • মৃত্যু সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া চালানো: কোনো মামলা বা বিবাদের ক্ষেত্রে মৃত্যু সনদপত্র প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
  • জন্ম নিবন্ধন: মৃত্যুর কারণে কোনো শিশুর জন্ম নিবন্ধন করতে হলে সনদপত্র দরকার হয়।

কোথায় থেকে পাওয়া যায় মৃত্যু সনদপত্র?

মৃত্যু সনদপত্র পাওয়ার প্রক্রিয়াটি মৃত্যু ঘটেছে কোথায় তার উপর নির্ভর করে। সাধারণত, নিচের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়:

  • হাসপাতালে মৃত্যু হলে: হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃত্যু নিবন্ধন করে এবং সনদপত্র প্রদান করে।
  • বাড়িতে মৃত্যু হলে: মৃত্যুর পরে চিকিৎসক মৃত্যু সনদপত্র প্রদান করেন। এরপর, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে মৃত্যু নিবন্ধন করতে হয়। নিবন্ধনের পরে ইউনিয়ন পরিষদ সনদপত্র প্রদান করে।

মৃত্যু সনদপত্র পাওয়ার জন্য কী করবেন?

  • মৃত্যু সনদপত্র আবেদনপত্র পূরণ করুন। আবেদনপত্রটি সাধারণত ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাওয়া যায়।
  • নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিন:
    • মৃত্যু সনদপত্রের আসল কপি।
    • চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যু সনদপত্র (বাড়িতে মৃত্যু হলে)।
    • মৃত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি।
    • আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি (মৃত ব্যক্তির স্বামী/স্ত্রী, পিতা-মাতা, সন্তান)।
    • মৃত্যু নিবন্ধনের ফি পরিশোধ করুন।

কত সময় লাগে মৃত্যু সনদপত্র পেতে?

সাধারণত, সঠিক কাগজপত্র জমা দেয়ার পরে ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে মৃত্যু সনদপত্র পাওয়া যায়। বেশি পরিচিত হলে সেইদিনই পাওয়া যায়।

ফ্যামিলি সনদপত্র নমুনা

ফ্যামিলি সনদপত্র নমুনা

 

যুগ পাল্টাচ্ছে, আমরা পাল্টাচ্ছি। আজ একটা পরিবার মানে শুধু বাবা-মা, সন্তান নয়, বহু শাখা-প্রশাখা নিয়ে বিস্তৃত এক নেটওয়ার্ক। আর এই সম্পর্কের অফিসিয়াল স্বাক্ষী হিসেবেই দাঁড়িয়ে আছে "ফ্যামিলি সনদপত্র"।


কী এই ফ্যামিলি সনদপত্র?

সহজ কথায়, এটি আপনার পরিবারের এক গুরুত্বপূর্ণ, আইনত স্বীকৃত নথি। এতে থাকে আপনার পরিবারের সদস্যদের নাম, বয়স, সম্পর্ক ইত্যাদি তথ্য। এই একক কাগজটেই আটকে আছে আপনার পুরো পরিবারের পরিচয়।

কেন প্রয়োজন?

এর গুরুত্ব বুঝতে বেশি দূর যেতে হবে না। আপনার ছেলেমেয়ে যখন স্কুলে ভর্তির আবেদন করবে, তখন দরকার হবে এই সনদপত্র, বাবা-মা দুজনের অভিভাবকত্ব প্রমাণ করতে। নতুন জমির মিউটেশন করাতে চাইছেন? ফ্যামিলি সনদপত্রই আপনার পথ সুগম করবে। এমনকি বিদেশে ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রেও এটি অপরিहार্য।

কোথায় পাবেন?

ফ্যামিলি সনদপত্র পাওয়ার পদ্ধতিও এখন অত্যন্ত সহজ। দেশের যেকোনো ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) কার্যালয়ে আবেদন করতে পারেন। চাইলে অনলাইনেও আবেদন করার সুবিধা আছে। তবে মনে রাখবেন, আবেদনকারীকে ঐ ইউনিয়নের নাগরিক হতে হবে।

কি লাগবে?

সরল নথিপত্র দিয়েই কাজ চলবে। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র, পরিবারের সদস্যদের জন্ম সনদপত্র, বিবাহ নিবন্ধন সনদপত্র (যদি প্রযোজ্য) আর দু-জন সাক্ষীর স্বাক্ষরিত স্টেটমেন্টই যথেষ্ট।

ফি ও সময়সীমা?

আপনার পকেটে বেশি চাপ পড়বে না। মাত্র ১৫০ টাকা ফি দিয়েই আবেদন করতে পারেন। আর সময়সীমাও খুব বেশি নয়, সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে আপনার হাতে আসবে ঝকঝমেলি ফ্যামিলি সনদপত্র।

অনলাইনে আবেদন?

যুগকে পাশে রেখে অনলাইন আবেদনের সুবিধাও চালু আছে। বাংলাদেশ সরকারের "এনএসই" (National e-Service Portal) ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দেশনা অনুসারে আবেদন করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে পিডিএফ ফাইল আকারে কিছু নথি আপলোড করতে হবে।

 0 Comments:

হিন্দুদের মেরিট সনদ | Hindu Marriage Certificate

হিন্দুদের মেরিট সনদ | Hindu Marriage Certificate

 হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান। হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫ অনুসারে, হিন্দুদের বিবাহ নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে একটি সরকারি সনদপত্র প্রদান করা হয় যা মেরিট সনদ নামে পরিচিত।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে, হিন্দু বিবাহ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান। তবে বর্তমানে সামাজিক, আইনগত ও ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে বিবাহের সরকারি স্বীকৃতি লাভের জন্য হিন্দু বিবাহের সনদ জারি করা প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। এই নিবন্ধটি হিন্দু বিবাহের সনদের বৈধতা, গুরুত্ব এবং বাংলাদেশে এর নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা সামর্প্য করে।

hindu marriage certificate sample

হিন্দুদের বিবাহ বা মেরিট সনদ কি : হিন্দু বিবাহ বা মেরিট সনদ হলো হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী বিবাহিত দম্পতির জন্য একটি আইনি সনদ যা তাদের বিবাহের স্বীকৃতি প্রদান করে।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য বিবাহ একটি পবিত্র বন্ধন এবং সামাজিক রীতিনীতি। বিবাহের আইনি স্বীকৃতি লাভের জন্য হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫ অনুসারে 'মেরিট সনদ' বা 'বিবাহ নিবন্ধন' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সনদ বিবাহের আইনি প্রমাণ হিসেবে কাজ করে এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য জটিলতা এড়াতে সাহায্য করে।

কাদের প্রয়োজন:

  • যারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং আইনিভাবে বিবাহিত হতে চান।
  • যারা বিবাহের পর ভিসা, পাসপোর্ট, সম্পত্তির অধিকার, সন্তানের জন্ম নিবন্ধন ইত্যাদির জন্য আইনি প্রমাণের প্রয়োজন।

মেরিট সনদের সুবিধা:

  • বিবাহের আইনি স্বীকৃতি প্রদান করে।
  • ভবিষ্যতে সম্ভাব্য জটিলতা, যেমন বিবাহের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন, সম্পত্তির অধিকার, সন্তানের জন্ম নিবন্ধন ইত্যাদি সমাধানে সহায়তা করে।
  • সামাজিক রীতিনীতি পূরণে সহায়ক।
  • ভিসা, পাসপোর্ট, ঋণ আবেদন ইত্যাদিতে বিবাহের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

মেরিট সনদ করতে কি কি লাগবে:

  • পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র।
  • বর ও কনের সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
  • বর ও কনের বয়সের প্রমাণ (যেমন, জন্ম সনদ)।
  • বর ও কনের ঠিকানার প্রমাণ (যেমন, বিদ্যুৎ বিল, ভোটার আইডি)।
  • বর ও কনের পিতা-মাতার নাম ও ঠিকানা।
  • বিবাহের তারিখ ও স্থান নির্ধারণের প্রমাণ।
  • বিবাহের ঘোষণার প্রমাণ (যেমন, স্থানীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি)।
  • বিবাহের সময় উপস্থিত থাকা দুইজন সাক্ষীর স্বাক্ষর ও ঠিকানা।
  • নির্ধারিত ফি প্রদান।

প্রক্রিয়া:

  • নির্ধারিত আবেদনপত্র সংগ্রহ করে পূর্ণাঙ্গভাবে পূরণ করুন।
  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে আবেদনপত্র সংযুক্ত করুন।
  • স্থানীয় বিবাহ নিবন্ধন কার্যালয়ে আবেদন জমা দিন।
  • নির্ধারিত ফি প্রদান করুন।
  • কার্যালয় কর্তৃপক্ষ আবেদনপত্র ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করবেন।
  • সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলে, কার্যালয় কর্তৃপক্ষ মেরিট সনদ প্রদান করবেন।

বৈধতা ও সরকারি স্বীকৃতি:

যদিও বাংলাদেশে এখনও হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের জন্য কোন নির্দিষ্ট আইন প্রণীত হয়নি, তবু স্থানীয় প্রথা ও প্রচলিত রীতিনীতি অনুযায়ী সনদ জারি করে বিবাহের বৈধতা ও সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। এই সনদটি আদালতে প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য। ফলে, ভবিষ্যতে বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, সন্তানের জন্ম নিবন্ধন, যৌতুক দাবি প্রতিরোধ, বিদেশ ভ্রমণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গুরুত্ব ও সুবিধা:

  • সামাজিক স্বীকৃতি: হিন্দু বিবাহের সনদ সমাজের কাছে বিবাহের স্বীকৃতি হিসাবে কাজ করে। এটি
    বিবাহিত দম্পতির সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং তাদের স্বামী-স্ত্রী হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
  • আইনি সুরক্ষা: বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ায়, যেমন স্ত্রী নির্যাত, পারিবারিক কলহ, অর্থনৈতিক লেনদেন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সনদটি প্রমাণ হিসাবে কাজ করে বিবাহিত দম্পতিকে আইনি সুরক্ষা প্রদান করে।
  • সরকারি সুবিধা লাভ: জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ভোটার আইডি কার্ড, ঋণের আবেদন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হিন্দু বিবাহের সনদ দাখিল করা বাধ্যতামূলক।

বৈধতার প্রশ্ন ও বর্তমান প্রেক্ষাপট:

যদিও বাংলাদেশে এখনও হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের জন্য কোন নির্দিষ্ট আইন প্রণীত হয়নি, তবু স্থানীয় প্রথা ও প্রচলিত রীতিনীতি অনুযায়ী বিবাহের সনদ জারি করা হয়। এই সনদগুলি আদালতে প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য এবং সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত। তবে, আইনের সনদের বৈধতা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, স্থানীয় প্রথা ও রীতিনীতি অনুযায়ী জারি করা সনদগুলি আইনগতভাবে স্বীকৃত। অন্যদিকে, অনেকে মনে করেন, নির্দিষ্ট আইনের সনদের বৈধতা নিশ্চিত করা যায় না।